ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি সোমবার সরকারের কাছে ১৯ দফা সুপারিশ জমা দিয়ে জানায়, প্রস্তাবিত আইনে এমন মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়েছে যা ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের তুলনায় কমিশনের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে এবং প্যারিস নীতিমালা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
টিআইবির পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, খসড়া আইনে কমিশনকে কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতার বাইরে রাখার ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে, যা নির্বাহী বিভাগের প্রভাব বাড়াতে পারে। কমিশনার নিয়োগ কমিটিতে স্পিকার, দুইজন মন্ত্রী, সরকারি দলের সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা টিআইবির মতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করতে পারে। সংস্থাটি কমিশনের কার্যাবলীতে আটকস্থল পরিদর্শন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত এবং নারী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার বিধান যুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।
এছাড়া টিআইবি কমিশনের স্বাধীন তদন্ত ক্ষমতা পুনর্বহাল এবং ২০০৯ সালের আইনের তুলনায় ক্ষমতা সংকোচনকারী ধারাগুলো বাতিলের সুপারিশ করেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।