ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুৎবিভ্রাট ঘটায় ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা দিচ্ছেন। ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল সকালে ঝড়ের কারণে ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করলে পুরো নবীনগরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা অন্ধকারে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আলোর অভাবে অনেক শিক্ষার্থী উত্তরপত্র লেখায় সমস্যায় পড়েছেন। অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়নি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ঝড়ে গাছের ডাল তারের ওপর পড়ায় বিদ্যুৎ বন্ধ রয়েছে এবং মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন জানান, মেরামতের কাজ চলছে।
দুপুর ১১টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত সব কেন্দ্র বিদ্যুৎহীন ছিল, যা পরীক্ষার্থীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।