Web Analytics

বিশ্ব মানবপাচারবিরোধী দিবসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপে যাওয়ার আশায় ভূমধ্যসাগর পাড়ি, কম্বোডিয়া ও মিয়ানমারের সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধসংক্রান্ত প্রতারণার ফাঁদে বাংলাদেশিরা পাচারের শিকার হচ্ছেন। প্রতিবেদনটি ৩০ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত হয়। ডিজিটাল মাধ্যমে প্রলোভন দেখিয়ে তরুণদের বিদেশে পাঠানো এবং কাজের প্রতিশ্রুতির বদলে নির্যাতন বা যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানোর অভিযোগ উঠে এসেছে।

ফ্রন্টেক্সের তথ্য অনুযায়ী, লিবিয়া থেকে মধ্য ভূমধ্যসাগরীয় পথে ইউরোপে প্রবেশচেষ্টাকারীদের মধ্যে বাংলাদেশিরা সবচেয়ে বেশি; ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত প্রায় এক লাখ ১০ হাজার বাংলাদেশি এ পথে ইউরোপে ঢুকেছেন। মার্চে লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে অন্তত ১৮ বাংলাদেশি মারা যান। ব্র্যাকের গবেষণায় দেখা গেছে, লিবিয়ায় যাওয়া ব্যক্তিদের ৭৫ শতাংশ কাজ পাননি, ৯৩ শতাংশ ক্যাম্পে বন্দি ছিলেন এবং ৭৯ শতাংশ শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত পুরোনোসহ পাঁচ হাজার ২৮৪টি মানবপাচার মামলা ঝুলে ছিল এবং জানুয়ারি-মে সময়ে মাত্র ১৭টি মামলা নিষ্পত্তি হয়। সরকার ২০২৬ সালের নতুন আইনে মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান দমনের বিধান রেখেছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞ শরিফুল হাসান আইন বাস্তবায়ন, সচেতনতা, সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালের আহ্বান জানিয়েছেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।