বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি অভিযোগ করেছে যে প্রভাবশালী বাস ও লঞ্চ মালিক সমিতিগুলো আন্তর্জাতিক ক্রেতা-ভোক্তা অধিকার আইন লঙ্ঘন করে একচেটিয়া ভাড়া বৃদ্ধির পায়তাঁরা চালাচ্ছে। সোমবার বিকেলে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, মালিক সমিতিগুলো সরকারের কিছু কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে যাত্রীদের প্রতিনিধিত্ব ছাড়াই ভাড়া নির্ধারণ করছে।
সংগঠনটি জানায়, জ্বালানি তেলের দামের পরিবর্তনের সঙ্গে ভাড়া সমন্বয় স্বাভাবিক হলেও বর্তমান প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নেই এবং যাত্রীদের অংশগ্রহণ বাদ দেওয়া হচ্ছে। তারা অভিযোগ করে যে মালিকদের ইচ্ছামতো ২১টি উপাদান ধরে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়, যা যাচাইয়ের সুযোগ নেই। পুরোনো বাসের অস্বাভাবিক মূল্য দেখিয়ে ভাড়া বাড়ানোর অভিযোগও তোলা হয়।
যাত্রী কল্যাণ সমিতি সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে এবং অযৌক্তিক ভাড়া বৃদ্ধি হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়। কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিনিধিরাও সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।