Web Analytics

ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশে চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতি বাড়লে বাংলাদেশ ও চীন উভয় পক্ষই লাভবান হবে। বেইজিংয়ে বাংলাদেশ ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে এবং বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো চীনের প্রযুক্তি ও ব্যবসা এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের উপযোগী অংশীদারত্ব পাবে।

তিনি বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতার পরবর্তী ধাপ হিসেবে আর্থিক সংযোগ স্থাপনের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী চীনা কোম্পানিগুলোর সহজ ও কার্যকর বাণিজ্য অর্থায়ন, যন্ত্রপাতি কেনার অর্থায়ন, চলতি মূলধন এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ সহায়তা প্রয়োজন। চায়না এক্সিম ব্যাংকের সদর দপ্তরে যৌথভাবে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ১১টি চীনা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন খাতের ২৬টি শীর্ষ চীনা কোম্পানি অংশ নেয়।

মূলপ্রবন্ধে বলা হয়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, কিন্তু বাংলাদেশে কোনো চীনা ব্যাংক সরাসরি কার্যক্রম চালায় না। সিইআইজেড ও মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের সুযোগও তুলে ধরা হয়। চায়না এক্সিম ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াং কাং জানান, বাংলাদেশে ব্যাংকটির প্রায় ৪০টি প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং বস্ত্র ও স্বাস্থ্যসেবাসহ অগ্রাধিকার খাতে সরাসরি বিনিয়োগে চীনা কোম্পানিগুলোকে উৎসাহ দেওয়া হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।