ইসরাইলের আপত্তির মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার কায়রোতে হামাস নেতাদের সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেছেন। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় যুদ্ধ বন্ধ এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ব্যবস্থা নিয়ে ট্রাম্পের ১৫ দফা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এ বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। হামাসের রাজনৈতিক নেতা খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকটি দুই ঘণ্টার বেশি চলে।
কুশনারের সঙ্গে ছিলেন ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এর মহাপরিচালক নিকোলাই ম্লাদেনভ ও সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার। যুক্তরাষ্ট্র হামাসকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ ও সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করলেও, বিশ্লেষকদের মতে গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থায়ী সমাধানে হামাসকে পুরোপুরি বাদ দেওয়া সম্ভব নয়। পরিকল্পনায় ধাপে ধাপে সামরিক অভিযান বন্ধ, হামাসের অস্ত্র নিষ্ক্রিয় ও সংরক্ষণ, ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েন এবং ফিলিস্তিনি কারিগরি প্রশাসনের মাধ্যমে গাজা পরিচালনার কথা রয়েছে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু পরিকল্পনাটি প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, হামাস পুরোপুরি নিরস্ত্র না হওয়া পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার হবে না। হামাস পরিকল্পনা মানতে প্রস্তুতির কথা বললেও আগে যুদ্ধবিরতির শর্ত পালন ও হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছে। সৌদি আরবসহ আট দেশ যৌথ বিবৃতিতে ইসরাইলের প্রত্যাখ্যানের সমালোচনা করেছে। নিরস্ত্রীকরণ, সেনা প্রত্যাহার ও যুদ্ধ বন্ধের ক্রম নিয়ে বিরোধ থাকায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কঠিন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।