পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা ঘিরে ২১ এপ্রিল থেকে চলমান আন্দোলনে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার আন্দোলনরত শিক্ষকরা উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলমকে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করে পূর্ণ শাটডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেন। প্রশাসনিক ভবন ও বিভিন্ন দপ্তরে তালা ঝোলানো, একাধিক শিক্ষকের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ এবং ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের তীব্র সেশনজটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৪ শিক্ষকের পদোন্নতি দাবিকে কেন্দ্র করে এই আন্দোলন শুরু হয়। অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশীরা পৃথক নীতিমালার দাবি করলেও সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতিপ্রত্যাশীদের একটি অংশ অভিন্ন নীতিমালায় আপত্তি দেখছেন না। ৩০ এপ্রিলের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে ৮ মে সিন্ডিকেট সভায় সমাধানের সিদ্ধান্ত হলেও শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, ৯ মে জরুরি সভায় তাদের মতামত উপেক্ষা করা হয়। উপাচার্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, দুই মাসের মধ্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পদোন্নতি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
তিনি বলেন, প্রশাসনিক কার্যক্রমে বাধা ও কর্মকর্তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ অব্যাহত থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান সম্ভব।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।