Web Analytics

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে জবানবন্দিতে অবসরপ্রাপ্ত রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। পুলিশ কমিশনার আব্দুল মাবুদ বলেন, ২০ আগস্টের পর ইয়াবা সেবনের সময় ছাদে ধরা পড়ার পর অভিযুক্তরা চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যার দাবি করেছে। ঘটনাস্থল নগরীর মাছুয়াপাড়ায় গণপতির বাড়ি।

ব্রিফিং অনুযায়ী, গণপতি, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে ছাদে হত্যা করা হয় এবং ১২ বছর বয়সী আয়ুশ চক্রবর্তীকে ঘরের ভেতরে হত্যা করা হয়। অভিযুক্তরা সিসিটিভির আশঙ্কায় বিদ্যুতের তার কাটে, লাশ কম দৃশ্যমান স্থানে সরিয়ে রাখে এবং ডাকাতির নাটক সাজাতে ঘরের জিনিসপত্র ওলটপালট করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তারা স্বর্ণালংকার ও ১৫ হাজার টাকা নেয় বলেও অভিযোগ।

পুলিশ জানায়, মুগ্ধ দাসকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের একটি শ্মশান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে কেয়ারটেকার বিদ্যুৎ দাসের কাছে পানি ও আশ্রয় চাইতে গিয়ে সে হত্যার কথা স্বীকার করেছিল বলে পুলিশের দাবি; বিদ্যুৎ দাস আদালতে ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। ময়নাতদন্তে চারজনের শ্বাসরোধে মৃত্যুর প্রমাণ মিলেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। দুই আসামির ডোপ ও ডিএনএ নমুনা পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে এবং ভ্যাজাইনাল সোয়াব পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়নি।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।