যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক কার্যকরের সময়সীমা শেষ হওয়ার এক ঘণ্টারও কম আগে শুক্রবার রাতে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধের নির্দেশ দেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কানাডার ২০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক বসালে কানাডাও মার্কিন পণ্যে সমপরিমাণ বা ডলার-ফর-ডলার পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে। কার্নি বলেন, কানাডার জন্য সর্বোত্তম চুক্তির লক্ষ্যেই তিনি আলোচনা করেছেন, কিন্তু যেকোনো মূল্য বা সময়সীমার মধ্যে চুক্তিতে রাজি নন।
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর উভয় পক্ষই শেষ মুহূর্তে নতুন ও অযৌক্তিক শর্ত চাপানোর অভিযোগ করেছে। মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত বলে দাবি করলেও কার্নি বারবার বলেছেন, গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি আছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কানাডার অর্থনীতি গভীরভাবে সম্পৃক্ত এবং প্রতিরক্ষায়ও প্রতিবেশী দেশটির ওপর নির্ভরতা রয়েছে বলে কার্নির সিদ্ধান্তকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়েছে। শুল্কে ক্ষতিগ্রস্ত কানাডার শিল্প ও ব্যবসাকে সহায়তার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বিভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থানের প্রাদেশিক নেতারা কার্নিকে সমর্থন করেছেন; এর মধ্যে অন্টারিওর ডগ ফোর্ড ও ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ডেভিড এবি রয়েছেন। তবে আলবার্টার ড্যানিয়েল স্মিথ আবার আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। কার্নি এশিয়া ও ইউরোপে নতুন অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতা কমাতে কাজ করছেন, যদিও এসব বাজার দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যের ধাক্কা সামলাতে পারবে কি না তা অনিশ্চিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।