সিঙ্গাপুরের অর্থনৈতিক নীতির পরবর্তী ধাপে বিদেশি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের বিকল্প হিসেবে দেশীয় বড় বহুজাতিক বা ‘চ্যাম্পিয়ন’ কোম্পানি গঠনে অতিরিক্ত জোর না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বরং এমন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছে, যাতে বৈশ্বিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সিঙ্গাপুরকে এড়িয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে ওঠে। বিশ্বমানের সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানি তৈরিকে সাফল্যের একমাত্র মানদণ্ড না ধরে, বৈশ্বিক অর্থনীতিতে দেশটির অপরিহার্যতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সূত্রের মতে, অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতার জন্য প্রতিটি খাতে বড় স্থানীয় কোম্পানি থাকা জরুরি নয়। এর বদলে ডিপ-টেক, দীর্ঘমেয়াদি বা ‘পেশেন্ট ক্যাপিটাল’ এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার অপরিহার্য অংশীদারে পরিণত করা বেশি কার্যকর হতে পারে। এতে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক কোম্পানির সরবরাহ ও উৎপাদন নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারবে।
বিশ্বজুড়ে পরিচিত বড় সিঙ্গাপুরীয় কোম্পানির সংখ্যা কম—এমন সমালোচনার প্রেক্ষাপটে AEM Holdings ও Micro-Mechanics-এর উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বা শিল্পখাতে প্রতিষ্ঠান দুটি বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। প্রস্তাবিত পথে এসএমই, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগকে আরও শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।