Web Analytics

চলতি আমন মৌসুমে বৃষ্টির ঘাটতিতে কুড়িগ্রামের চিলমারী ও জামালপুরের মাদারগঞ্জে ধানের জমি শুকিয়ে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। জমি তৈরি, চারা রোপণ এবং রোপণ করা চারা বাঁচিয়ে রাখতে কৃষকদের শ্যালো মেশিন, বিদ্যুৎচালিত পাম্প ও কোথাও গভীর নলকূপের পানি দিয়ে সেচ দিতে হচ্ছে। খরা দীর্ঘ হলে আমন ধানের উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, চিলমারীতে এ মৌসুমে প্রায় ৭ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে আমন রোপণ হয়েছে, যার প্রায় ৫০ শতাংশের পানি শুকিয়ে গেছে। মাদারগঞ্জে ১৭ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১৬ হাজার ৫০০ হেক্টরে চারা রোপণ করা হয়েছে; বাকি জমিতে চলতি সপ্তাহে রোপণ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অনেক স্থানে রোপণ করা চারাও শুকিয়ে মারা যাচ্ছে এবং সময়মতো রোপণ কঠিন হয়ে পড়েছে।

কৃষকদের ভাষ্য, সার, কীটনাশক, শ্রমিকের মজুরি ও সেচ ব্যয় বেড়েছে। মাদারগঞ্জের একজন কৃষক জানান, এবার খরচ প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। কৃষকদের হিসাবে হালচাষ, রোপণ, উপকরণ, সেচ ও কাটাসহ প্রতি বিঘায় প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, পানির ঘাটতিতে গাছের বৃদ্ধি ও কুশি কমতে পারে, আগাছা-পোকার আক্রমণ বাড়তে পারে এবং ফলন হ্রাসের ঝুঁকি রয়েছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।