কুমিল্লার লালমাইয়ে ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হওয়া সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল তাজমিন (১৫) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোনও উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) পঙ্কজ বড়ুয়া।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর রাত সাড়ে ১২টার দিকে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে রেসকোর্সের বাসায় যেতে সুমনের অটোরিকশা ৩০০ টাকায় ভাড়া করেন তাজমিন। পরে সংক্ষিপ্ত পথে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে নির্জন এলাকায় নেওয়া হয়। তাজমিন পালানোর চেষ্টা ও চিৎকার করলে গামছা গলায় পেঁচিয়ে ধরা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পরে ধানক্ষেতে নিয়ে মাথা পা দিয়ে চেপে ধরে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি। জিজ্ঞাসাবাদে সুমন ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে ৯৯৯-এ খবর পেয়ে লালমাই থানার পুলিশ জগৎপুর উত্তরপাড়া গ্রামের ধানক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার করে; পরে বাবা লাশ শনাক্ত করেন। পুলিশ বলছে, সুমন তাজমিনের ব্যাগ ফেলে দিয়ে আইফোনটি বাখরাবাদের একটি পুকুরপাড়ের ঝোপে লুকিয়ে চট্টগ্রামে পালান। ধর্ষণ হত্যার আগে না পরে হয়েছে, তা ফরেনসিক রিপোর্টের পর জানা যাবে। ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।