৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই বিপ্লবের বিজয়ের পূর্বমুহূর্ত ও বিজয় মিছিলে সাভার-আশুলিয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী ক্যাডারদের গুলিতে ৩১ জন নিহত হন। সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও আশুলিয়ার বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রের তথ্য মিলিয়ে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে। ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষ আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লংমার্চ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক ধরে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। সাভার বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে পুলিশ গুলি চালায়। পরে সাভার থানা এলাকার সংঘর্ষেও গুলিতে অন্তত ১৫ থেকে ১৬ জন নিহত হন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। আশুলিয়ায় অন্তত ১০ থেকে ১১ জন নিহত হওয়ার কথাও স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই হত্যাকাণ্ডের একটি মামলায় সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছে। সাতজনকে যাবজ্জীবন এবং দুজনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে; একজন রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা পেয়েছেন। ১৬ আসামির মধ্যে আটজন কারাগারে এবং আটজন পলাতক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নিহত সাজ্জাদ হোসেন সজলের মা শাহীনা বেগমসহ পরিবারগুলো দণ্ডিতদের রায় দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।