ইউরোপের দ্রুত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ফ্রান্স তুরস্কের সঙ্গে দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে। সিরিয়া, আর্মেনিয়া ও পূর্ব ভূমধ্যসাগর নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ থাকলেও এখন নতুন সহযোগিতার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফ্রান্স তুরস্ককে ইউরোপের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার অন্যতম স্তম্ভ হিসেবে দেখছে এবং ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ নামে একটি অ-ন্যাটো সামরিক উদ্যোগে তুরস্কের অংশগ্রহণকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে।
এই নীতি পরিবর্তনের পেছনে রয়েছে তুরস্ক-রাশিয়া সম্পর্কের শীতলতা এবং ইউক্রেন যুদ্ধের পর তুরস্কের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান। সাবেক ফরাসি রাষ্ট্রদূত জেরার্ড আরাউ বলেছেন, তুরস্ক কাউকে বিরক্ত না করেই ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে, যা ফ্রান্সে প্রশংসিত হয়েছে। দুই দেশ এখন সিরিয়া, লেবানন ও ইরান ইস্যুতে অভিন্ন অবস্থান নিচ্ছে এবং প্রতিরক্ষা খাতে নতুন অংশীদারিত্ব গড়ে তুলছে।
আগামী সপ্তাহে আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনের আগে দুই দেশের প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা জোরদার হয়েছে। তবে আর্মেনিয়া ও গ্রিস ইস্যুতে পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো সম্পর্কের বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।