Web Analytics

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে সরকারি খাস জমিতে থাকা ১৮টি দোকান ২০২৫ সালের মাঠ জরিপে শনাক্ত হলেও এখনো ইজারার আওতায় আসেনি। কলেজ রোডে গ্রামীণফোন কার্যালয় থেকে লাকি স্টোর পর্যন্ত প্রায় ১৭ শতক এক নম্বর খাস জমির মধ্যে প্রায় ১০ শতকে এসব দোকানের অবস্থান পাওয়া যায়। ইজারা প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় জমিগুলো থেকে সরকার রাজস্ব আদায় করতে পারছে না।

বাজারের পেরিফেরি নির্ধারণসংক্রান্ত জটিলতায় প্রক্রিয়াটি আটকে আছে। সরকারি হাট ও বাজার স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২৫ অনুযায়ী, সরেজমিন জরিপ ও নকশা তৈরির পর ইউএনওর মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে অনুমোদনের প্রস্তাব পাঠাতে হয়। নকশায় বাজারের অন্তত ৫০ শতাংশ ভূমি সংরক্ষণ এবং পথচারীদের চলাচলের রাস্তা রাখার বিধান রয়েছে। সীতাকুণ্ডের প্রস্তাবটি কোন পর্যায়ে আছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি; ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের ইজারা বিজ্ঞপ্তিতেও জমিগুলো ছিল না।

সাবেক সহকারী কমিশনার ভূমি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, তিনি দোকানগুলোকে একসনা ইজারার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে দোকান বসানোর অভিযোগ করেছেন। ইউএনও ফখরুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ যাচাই করে অবৈধ দখলের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।