নিহত ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের স্মৃতি সংরক্ষণে একটি নতুন মৌখিক ইতিহাস প্রকল্প শুরু হয়েছে। সহকর্মী, বন্ধু ও স্বজনদের পাঠানো ভয়েস নোটের মাধ্যমে এতে সাংবাদিকদের জীবন, কাজ, স্বপ্ন ও সংগ্রামের গল্প তুলে ধরা হচ্ছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধ ও হামলার মধ্যে নিহত সংবাদকর্মীদের শুধু নাম বা সংখ্যার তালিকায় সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যক্তি হিসেবে স্মরণ করাই উদ্যোগটির লক্ষ্য।
সংগৃহীত কণ্ঠস্মৃতিতে নিহতদের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং সাংবাদিকতার প্রতি তাঁদের অঙ্গীকারের কথা উঠে আসছে। গাজার সাংবাদিকরা যুদ্ধ, ধ্বংসযজ্ঞ ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের খবর জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিশ্বের সামনে আনতেন। তাঁদের অনেকেই একই সঙ্গে সংবাদকর্মী এবং যুদ্ধের প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী ছিলেন; সংবাদ সংগ্রহের পাশাপাশি পরিবার, ঘরবাড়ি ও স্বজনদের নিরাপত্তা সংকটও মোকাবিলা করেছেন।
আয়োজকদের আশা, এসব রেকর্ড ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি সাংবাদিকতার ইতিহাস এবং গাজা যুদ্ধের মানবিক বাস্তবতা বোঝার গুরুত্বপূর্ণ দলিল হবে। লিখিত জীবনী বা আনুষ্ঠানিক স্মৃতিচারণের বদলে কাছের মানুষদের কণ্ঠে হাসি-কান্না ও কাজের অভিজ্ঞতা সংরক্ষণ প্রকল্পটির বিশেষত্ব। ফিলিস্তিনে ব্যক্তিগত সাক্ষ্য ও রেকর্ড করা স্মৃতিচারণ আগে থেকেই অভিজ্ঞতা সংরক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।