Web Analytics

ইরানের দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালনকারী সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তার মৃত্যু দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ যুগের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৮৯ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তিনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম ও কৌশলগত নিয়োগের ওপর ব্যাপক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেন।

তার শাসনামলে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে প্রভাবশালী শক্তিতে পরিণত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ জোরদারের যুক্তিতে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে। পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিরোধ তার শাসনামলের অন্যতম ইস্যু ছিল। তিনি বারবার দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না, তবে শান্তিপূর্ণ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার রক্ষায় অনড় ছিলেন।

খামেনির আঞ্চলিক নীতিতে মিত্র সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বৃদ্ধি পায়, যদিও এতে উপসাগরীয় আরব দেশ, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ে। তার মৃত্যু ইরানে শোকের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।