চট্টগ্রাম বন্দরে ছয়টি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস শুরু হয়েছে, আর চারটি জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমায় রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), বিভিন্ন জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজ আসবে, ফলে আগামী দেড় মাসের জ্বালানি সরবরাহে কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই।
তবে জ্বালানিবাহী জাহাজে নাশকতার আশঙ্কায় বন্দর কর্তৃপক্ষ বিশেষ নিরাপত্তা চেয়েছে। নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডকে বহির্নোঙরে থাকা জাহাজগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর চারটি জ্বালানিবাহী জাহাজে রহস্যজনক বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকে এ ধরনের আশঙ্কা বেড়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় ১৫টি জ্বালানিবাহী জাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে এলপিজি, এলএনজি, গ্যাস, হাইপার সালফার, কেমিকেল, ক্রুড অয়েল ও ডিজেলবাহী জাহাজ অন্তর্ভুক্ত। সিঙ্গাপুর থেকে দুটি ট্যাংকার ইতিমধ্যে পৌঁছেছে এবং আরও তিনটি ট্যাংকার মার্চের মাঝামাঝি আসবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।