যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট সেবা স্টারলিংক বন্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন বিধিনিষেধ আরোপের ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান। ইরানের দাবি, শত্রুপক্ষ স্টারলিংককে নির্দেশনা, গুপ্তচরবৃত্তি ও তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহার করছে। জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে সেবাটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে; ব্যবহার ও টার্মিনাল বিতরণে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
সুপ্রিম ন্যাশনাল সাইবারস্পেস কাউন্সিলের সচিব মোহাম্মদ আমিন আগামিরি স্টারলিংককে শত্রুদের ‘যুদ্ধের হাতিয়ার’ বলে উল্লেখ করেন। তেহরানভিত্তিক এক বিশেষজ্ঞের মতে, সংযোগ ব্যাহত করতে সংকেত-বাধাদানকারী যন্ত্র, জিপিএসের ভুয়া অবস্থানসংক্রান্ত সংকেত এবং ইন্টারনেট প্রটোকল শনাক্তের পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। টার্মিনাল খুঁজতে টহল ও ড্রোন ব্যবহার এবং বিক্রয়স্থলে অভিযানও চালানো হয়।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর পর ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হয়েছে। সরকার বলেছে, সাইবার হামলা থেকে মানুষ ও জাতীয় সম্পদ রক্ষায় কখনো কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে ইন্টারনেটের গতি কমানো হয়। নতুন নীতিমালা নথিতে গুগল প্লে ও হোয়াটসঅ্যাপের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হলেও কোনো সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।