Web Analytics

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান ‘এপিক ফিউরি’ এবং ইরানের আইআরজিসি কর্তৃক হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণার ফলে বিশ্বের মোট এক-পঞ্চমাংশ তেল ও ২০ শতাংশ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতিতে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ২০০ ডলারে পৌঁছানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী উৎপাদন খরচ ও বাণিজ্যে প্রভাব ফেলবে।

প্রতিবেদনটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, ইসরাইল, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই সংকটকে আরও গভীর করছে। যুক্তরাষ্ট্র যদি বিশ্ব তেলের ভান্ডার নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়, তবে মিসর, কিউবা, গ্রিনল্যান্ড ও তুরস্কের মতো অঞ্চলও পরবর্তী লক্ষ্য হতে পারে। লেখক ন্যাটোর অতীত ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, লিবিয়া ও ভেনেজুয়েলায় হস্তক্ষেপ ছিল আধিপত্যবাদেরই বহিঃপ্রকাশ।

প্রতিবেদনটি সতর্ক করে দেয়, যদি বিশ্বনেতারা এই সংঘাত থামাতে ব্যর্থ হন, তবে বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি, সরবরাহ চেইন ভাঙন এবং ন্যাটোর মতো সামরিক জোটের ভাঙনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।