প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন ২০২৬ দ্রুত অনুমোদনের উদ্যোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষা অধিকার সংসদ। সংগঠনটির আহ্বায়ক অধ্যাপক নিয়াজ আসাদুল্লাহ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সীমিত মেয়াদে জনসম্পৃক্ততা, অংশীজন পরামর্শ ও জাতীয় ঐকমত্য ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন সমীচীন নয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, খসড়া আইনে মূলত বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থার বিষয়গুলোই প্রাধান্য পেয়েছে, তবে ভবিষ্যতমুখী সংস্কার, কাঠামোগত পরিবর্তন ও গুণগত উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা অনুপস্থিত। সংজ্ঞাগত অস্পষ্টতা, শাসন কাঠামোর অনির্দিষ্টতা এবং বাস্তবায়নসংক্রান্ত ঘাটতির কথাও সংগঠনটি তুলে ধরে। তাদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত বিষয়গুলো আইন দ্বারা নির্ধারিত হওয়া উচিত, বিধিমালার ওপর ছেড়ে দেওয়া নয়।
শিক্ষা অধিকার সংসদ প্রস্তাব করেছে, শিক্ষা আইন ২০২৬ বর্তমান পর্যায়ে অনুমোদন না দিয়ে পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের জন্য রেখে দেওয়া হোক, যাতে সকল অংশীজনের অংশগ্রহণে একটি শক্তিশালী ও টেকসই শিক্ষা আইন প্রণয়ন সম্ভব হয়। সংগঠনটি মনে করে, শিক্ষা সংস্কার সময়, সংলাপ ও ঐকমত্যের মধ্য দিয়েই হওয়া উচিত।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।