অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন, সরকার দেশের শেয়ারবাজারকে প্রাণবন্ত ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের উৎস হিসেবে গড়ে তুলতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে। তিনি লিখিত জবাবে বলেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে একটি টেকসই পুঁজিবাজার গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে শক্তিশালী বন্ড মার্কেট গঠন, ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করা এবং সরকারি কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড, সুকুক, গ্রিন বন্ড, কমোডিটি ও ফিন্যান্সিয়াল ডেরিভেটিভ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনিয়ম ও কারসাজি বন্ধ, এনফোর্সমেন্ট জোরদার, বাজার আধুনিকীকরণ ও ডিজিটাইজেশনের পাশাপাশি তথ্যপ্রকাশকারী সুরক্ষা ও করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।
আইন সংস্কারের অংশ হিসেবে ১৯৬৯ সালের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স ও ১৯৯৩ সালের কমিশন আইন একীভূত করে নতুন আইন প্রণয়ন, ক্যাপিটাল মার্কেট স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড আইন ২০২৬ পর্যালোচনা, করপোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ প্রণয়ন এবং বিনিয়োগ শিক্ষা স্কুল-কলেজের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।