চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সংস্কারকাজে কথিত অনিয়মের তদন্ত চেয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খাদেমুল ইসলাম। রোববার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালকের কাছে নোটিশটি পাঠানো হয়। এতে অনভিজ্ঞ ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া, প্রত্নতাত্ত্বিক সংরক্ষণনীতি ও বিশেষজ্ঞ মতামত উপেক্ষা এবং সংস্কারের নামে ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার অংশ ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগ তোলা হয়েছে।
নোটিশে হেরিটেজের ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, কার্যাদেশ প্রদানের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা এবং এতে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার অভিযোগ তদন্তের দাবি জানানো হয়। ১৫ দিনের মধ্যে স্থাপত্য ও পুরকৌশল বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এর অনুলিপি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, জাতীয় জাদুঘরের ট্রাস্টি বোর্ড এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টদের পাঠানো হয়েছে।
নোটিশ অনুযায়ী, অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে জাদুঘরটি ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর থেকে সংস্কারের জন্য বন্ধ রয়েছে। এতে বলা হয়, বুয়েট ও চট্টগ্রাম আইইবির পরামর্শ নেওয়া হলেও তা উপেক্ষা করে ৩ ফেব্রুয়ারি মেসার্স ইসমত এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়। দাবি করা হয়েছে, সেদিনই পুরোনো অবকাঠামো ভাঙচুরের মাধ্যমে ঐতিহ্য নষ্ট করা হয়। ব্যবস্থা না নিলে উচ্চ আদালতে রিট করা হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।