Web Analytics

মিয়ানমার আবারও বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ বলায় প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা উঠেছে। ১৯ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ সরকার বলেছে, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ প্রয়োগের চেষ্টা চলছে। মিয়ানমারের এই অবস্থান সংকটকে আরও জটিল করতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মিয়ানমার দাবি করে, রোহিঙ্গা নামে দেশটিতে কোনো জাতিগোষ্ঠী নেই এবং ১৩৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর তালিকাতেও তাদের স্বীকৃতি দেয় না। প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বিশ্লেষকেরা মনে করেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রকৃত আগ্রহ নেই—এই বার্তাই নতুন করে ‘বাঙালি’ বিতর্ক সামনে এনে দেওয়া হয়েছে। আরকান রোহিঙ্গা ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের সঙ্গে যুক্ত নূরুল ইসলাম বলেন, রাখাইনে রোহিঙ্গারা জাতিগত নিধনের শিকার হয়েছেন এবং মিয়ানমার সরকার ও আরাকান আর্মি কেউই তাদের ফিরিয়ে নিতে চায় না।

২০১৭ সালে রাখাইনে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আসে। এর আগে ও পরে আরও প্রায় চার থেকে পাঁচ লাখ মানুষ এসেছে। ২৮ এপ্রিল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সংসদে জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১১ লাখ ৮৯ হাজার বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা রয়েছে। সাবেক কূটনীতিক মেজর এমদাদুল ইসলাম বলেন, পরিচয় বিতর্কে না জড়িয়ে মিয়ানমারকে তাদের নাগরিক ফিরিয়ে নেওয়ার দায়িত্বের কথাই বাংলাদেশের বলা উচিত।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।