Web Analytics

ফ্রান্সের রাজনৈতিক অস্থিরতা, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বাজেট ঘাটতি ও সরকারি ঋণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, যুক্তরাষ্ট্রও কি একই ধরনের ঝুঁকিতে পড়ছে। উৎসের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, দুই দেশই উচ্চ ঋণ, ব্যয় নিয়ন্ত্রণের চাপ এবং রাজনৈতিক বিভাজনের মুখে রয়েছে, তবে তাদের পরিস্থিতি এক নয়। ফ্রান্সের অর্থনীতি চলতি বছরে প্রায় ০.৫ শতাংশ বাড়তে পারে; বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৬.৪ শতাংশে এবং সরকারি ঋণ ১২০ শতাংশের বেশি হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ-জিডিপি অনুপাত প্রায় ১২৫ শতাংশ উল্লেখ করা হয়েছে। বয়স্ক জনগোষ্ঠীসংক্রান্ত ব্যয় ও জীবনযাত্রার খরচও দেশটির আর্থিক সিদ্ধান্তকে কঠিন করছে। তবে ডলারের বৈশ্বিক ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের গুরুত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে ফ্রান্সের তুলনায় ভিন্ন অর্থায়নের সুযোগ দেয়। তবু সুদ পরিশোধ বাড়লে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবাসহ অন্যান্য খাতে বরাদ্দের সুযোগ কমতে পারে।

১০ জুন ২০২৬ প্রকাশিত পিউ জরিপে যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স—উভয় দেশেই ৬৯ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক গণতন্ত্রের কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট ছিলেন। ১৯ অক্টোবর ট্রাম্প ফ্রান্সের মতো সহিংসতার সতর্কতা দিলেও এর পক্ষে প্রমাণ দেননি। উৎসের উপসংহার হলো, ফ্রান্স যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সতর্কবার্তা হতে পারে, কিন্তু একই ধরনের সংকট বা সহিংসতা অনিবার্য—এমন প্রমাণ নেই।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।