যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে, যা চতুর্থ দিনে গড়িয়েছে। ইসরাইল তেহরানসহ বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ইরানের পাল্টা হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র আগাম আক্রমণ চালিয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার এই হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনে বৈধতা দিতে অস্বীকার করেছেন। ইরানের তথ্যমতে, এখন পর্যন্ত ৭৮৭ জন নিহত হয়েছে এবং ১৫৩ শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরান পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি, দূতাবাস ও মিত্র দেশগুলোর স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করেছে। কুয়েত ও সৌদি আরবে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র সেগুলো বন্ধ করে দেয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছেন। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিরক্ষা অভিযান চলবে। লেবাননের হিজবুল্লাহ ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে, যার জবাবে ইসরাইল লেবাননে অভিযান শুরু করেছে।
ওয়াশিংটন মধ্যপ্রাচ্যের ১৪ দেশ থেকে মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, যা আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা ও যুদ্ধের ঝুঁকি আরও বাড়িয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।