Web Analytics

দিল্লিতে ৮ থেকে ১১ জুন অনুষ্ঠিত ৫৭তম বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকের পর প্রকাশিত যৌথ বিবৃতি ঘিরে বিতর্ক ও রহস্য তৈরি হয়েছে। সীমান্তে পুশইন ইস্যু নিয়ে চরম উত্তেজনার সময় অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতে ‘পুশইন’ শব্দটি একবারও উল্লেখ করা হয়নি এবং ‘সীমান্ত হত্যা’র পরিবর্তে লেখা হয়েছে ‘সীমান্তে মৃত্যু’। বিএসএফের প্রকাশিত যৌথ বিবৃতির বিপরীতে বিজিবি আলাদা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যেখানে পুশইন, সীমান্ত হত্যা ও অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণসহ বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন, দিল্লি বৈঠকে বিজিবির অবস্থান কেন এত নরম ছিল এবং কেন বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো যৌথ বিবৃতিতে অনুপস্থিত। সূত্রগুলো জানিয়েছে, বৈঠকের আগে বিএসএফ তাদের অবস্থানপত্র মাত্র এক ঘণ্টা আগে দিলেও বিজিবির অবস্থানপত্র আগেই ভারতের হাতে পৌঁছে যায়। এছাড়া বৈঠকের ফাঁকে বিজিবি মহাপরিচালক ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেছেন, যা কোনো বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

বিজিবি পরে দাবি করেছে, তারা কোনো আপোস করেনি এবং সব ইস্যু দৃঢ়ভাবে উত্থাপন করেছে। তবুও যৌথ বিবৃতিতে সংবেদনশীল বিষয় বাদ পড়ায় সীমান্ত কূটনীতিতে স্বচ্ছতা ও অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।