ইসরাইলে নির্বাচনের তিন মাসের কম সময় বাকি থাকায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ণ সমর্থন ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কের দৃঢ়তা তুলে ধরতে চেষ্টা করছেন। চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের মৃত্যুর পর ওয়াশিংটন সফরে গিয়ে নেতানিয়াহু হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে ৯০ মিনিটের রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকটি দুই নেতার মধ্যে অস্বস্তি ও মানসিক দূরত্বও প্রকাশ করেছে।
হোয়াইট হাউস বৈঠককে ইতিবাচক ও গঠনমূলক বললেও ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে ইরান ইস্যুতে মতপার্থক্যের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তিনি বলেন, নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধে জড়িয়ে রাখতে চান। তুরস্ককে এফ-৩৫ বিক্রি নিয়ে ইসরাইলের আপত্তির জবাবেও ট্রাম্প জানান, কী বিক্রি করা হবে তা কেউ তাকে বলতে পারে না। বিশ্লেষকদের মতে, গাজা ও লেবানন বিষয়ে সাফল্যের অভাব নেতানিয়াহুকে ইরানের পারমাণবিক হুমকির বিষয়টি সামনে আনতে উৎসাহিত করছে।
ওয়াশিংটনে নেতানিয়াহুর সফরকালে ফিলিস্তিনি পতাকা হাতে বিক্ষোভ হয় এবং গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে যুদ্ধাপরাধী স্লোগান দেওয়া হয়। দি ইকোনমিস্ট ও ইউগভের জরিপে ৪৯ শতাংশ অংশগ্রহণকারী তাকে গ্রেপ্তারের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইউগভ ও সিবিএস নিউজের পৃথক জরিপে ৬৭ শতাংশ আমেরিকান ইরানবিরোধী যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধের পক্ষে। সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহুর আবার ওয়াশিংটন সফরের প্রত্যাশা রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।