আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সারা দেশে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠেছে, তবে ক্রেতার উপস্থিতি এখনো কম। ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে চলছে দরকষাকষি। কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় ১২ হাজার ১৬৫টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে চাহিদা ১১ হাজার ২৯০টি। ফলে ৮৭৫টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খামারিরা দেশি জাতের গরুর পাশাপাশি শাহিওয়াল, রেড সিন্ধি ও ফ্রিজিয়ান জাতের গরুও পালন করছেন।
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলায় ২৩ হাজার ১৩৩টি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদার তুলনায় প্রায় ৬ হাজার বেশি। ভাউলাগঞ্জ, টেপ্রীগঞ্জসহ বিভিন্ন হাটে পশু উঠতে শুরু করেছে। উপজেলা প্রশাসন জাল টাকা শনাক্তকরণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতের ব্যবস্থা নিয়েছে। হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় ৫ হাজার ১৩৫টি পশু প্রস্তুত রয়েছে, তবে গো-খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি খামারিদের দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তর পশুর সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়েছে।
পাবনার বেড়া উপজেলায় প্রচুর পশু উঠলেও বিক্রি কম। ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, ঢাকায় ডিজিটাল কোরবানির বাজারের প্রসার ঘটায় হাটে সরাসরি কেনাবেচা কমে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।