যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান আক্রমণের পর পুরো আরব বিশ্ব যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে, যার ভয়াবহ পরিণতির মুখে পড়েছেন আরব নেতারা। আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির হত্যাকাণ্ডের পর ইরান তার বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভান্ডার ব্যবহার করে পাল্টা হামলা শুরু করেছে। সাইপ্রাস থেকে বাহরাইন পর্যন্ত মার্কিন ঘাঁটিগুলো ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা গ্যারান্টি কার্যত ব্যর্থ হয়েছে।
এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর অর্থনীতি ও জ্বালানি সরবরাহে মারাত্মক অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এবং সৌদি ও কাতারের তেল-গ্যাস স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশের জন্য এটি বড় সংকট, কারণ দেশটি মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আমদানি করে এবং প্রায় ৫০ লাখ প্রবাসী সেখানে কাজ করেন। যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে তাদের কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহ হুমকির মুখে পড়বে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতি ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনতে পারে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও গভীর প্রভাব ফেলবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।