Web Analytics

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, সুদের হার কমানো, রিজার্ভ মানি বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে আস্থাহীনতায় নগদায়ন এবং বন্যাজনিত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি—সব মিলিয়ে অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির ওপর একাধিক চাপ তৈরি হচ্ছে। মে মাসে মূল্যস্ফীতি ১৬ মাসের সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৪২ শতাংশে উঠেছিল; জুনে তা ৯ দশমিক ১৬ শতাংশে নামে। জুলাইয়ে বন্যার প্রভাবে তা আবার বাড়তে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বাজেটে সরকারের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ৭ দশমিক ৫ শতাংশ।

সরকার রেপো হার ১০ শতাংশ থেকে ৯ দশমিক ৫ শতাংশে এবং স্ট্যান্ডার্ড লেন্ডিং ফ্যাসিলিটির উচ্চসীমা ১১ দশমিক ৫ থেকে ১১ শতাংশে নামিয়েছে। লেখকের মতে, এতে মুদ্রা সরবরাহ বাড়তে পারে এবং মূল্যস্ফীতির সঙ্গে এর সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। তিনি বলেন, সরকারের নির্ধারিত ৪ শতাংশ সীমার বিপরীতে গড় স্প্রেড ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৫৬টি সীমার ওপরে রয়েছে। মূল্যস্ফীতি সমন্বয়ের পর প্রকৃত আমানত সুদহার ঋণাত্মক ২ দশমিক ৮ শতাংশ।

লেখক জানান, বন্ধ শিল্প-কারখানা সচলে ৬০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ১৯-২০ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ মানি থেকে দেওয়া হচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জানুয়ারি-জুনে রিজার্ভ মানির প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ১ শতাংশে পৌঁছায়, যেখানে প্রক্ষেপণ ছিল ৮ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব মডেল জুন ২০২৭-এ মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৬ শতাংশ দেখাচ্ছে, যা ঘোষিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ লক্ষ্যের চেয়ে বেশি।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।