চাঁদপুরের মতলব উত্তরে তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যেও গ্রাহকদের কাছে অস্বাভাবিক বা ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। ১২ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গরমের সময়ে দীর্ঘ বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং চড়া বিল মিলিয়ে উপজেলার গ্রাহকেরা ভোগান্তি ও অসন্তোষে পড়েছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, গত দুই মাস ধরে কম বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যেও অতিরিক্ত বিল দেওয়া হচ্ছে।
ইসলামাবাদ গ্রামের দুলাল দর্জি বলেন, আগে তাঁর মাসিক বিল ২ হাজার টাকার কম হলেও জুলাইয়ে ৫ হাজার টাকা এসেছে। সুজাতপুরের নয়ন দাসের বিল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে জুলাইয়ে ৬৫০ টাকা হয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী অংকন দাস জানান, তাঁর দোকানের বিল ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে এ মাসে ২ হাজার ২০০ টাকা হয়েছে। তাঁর দাবি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৮ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না।
গ্রাহকদের অভিযোগ, মিটার রিডিং ছাড়াই মনগড়া অতিরিক্ত বিল তৈরি ও বিতরণ করা হচ্ছে এবং প্রায় ৮০ শতাংশ গ্রাহক হয়রানির শিকার। তারা আরও অভিযোগ করেন, জোনাল অফিসে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তারা হয়রানি করেন। চাঁদপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (২)-এর এজিএম মো. নাইম বলেন, ২৭ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১০ থেকে ১২ মেগাওয়াট পাওয়ায় লোডশেডিং হচ্ছে। তিনি অস্বাভাবিক বিলের সুযোগ নেই বলে দাবি করেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।