সাবেক কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মাহমুদ খলিলের আইনজীবীরা যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন আপিল বোর্ডের কাছে তার বহিষ্কার মামলাটি পুনরায় চালু ও বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছেন। ফিলিস্তিনপন্থি আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তাকে বহিষ্কারের লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এক মাস আগে বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিল খলিলের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বহিষ্কারের নির্দেশ দেয়। সর্বশেষ আইনি আবেদনে কিছু নতুন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, যার কিছু সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
খলিলের আইনজীবীদের দাবি, নতুন তথ্যগুলো ইঙ্গিত করে যে ট্রাম্প প্রশাসন তাকে দৃষ্টান্ত হিসেবে দাঁড় করাতে গোপনে তার ইমিগ্রেশন মামলার রায় প্রভাবিত বা সাজিয়েছিল। ২০২৫ সালের মার্চে ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার এজেন্টরা প্রথম তাকে আটক করে। আগের বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থি ও গাজা যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রদের মধ্যে খলিলও ছিলেন।
আইনজীবীরা বহিষ্কার প্রক্রিয়া স্থগিত রেখে নতুন তথ্য যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।