২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাত দক্ষিণ এশিয়ার সামরিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য বদলে দিয়েছে। আকাশযুদ্ধে পাকিস্তানের অপ্রত্যাশিত সাফল্য দেশটির বৈশ্বিক মর্যাদা বাড়িয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করেছে। ইসলামাবাদ এই যুদ্ধের প্রথম বার্ষিকী সামরিক বিজয় হিসেবে উদ্যাপন করেছে এবং ভবিষ্যতের আগ্রাসনের জবাবে আরও শক্ত প্রতিক্রিয়ার অঙ্গীকার করেছে। অন্যদিকে ভারত দিনটি পালন করেছে সন্ত্রাসবাদের প্রতি ‘শূন্য সহনশীলতা’ জোরদার করার দিন হিসেবে, পেহেলগামে হামলার পর প্রতিরক্ষা বাহিনীর পদক্ষেপের প্রশংসা জানিয়ে।
কাশ্মীর ইস্যু থেকেই এই সংঘাতের সূত্রপাত, যার বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা ২০১৯ সালে বাতিল করে ভারত। এর পর পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক কমিয়ে দেয় এবং বাণিজ্য বন্ধ করে। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে ভারত সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত করলে উত্তেজনা আরও বাড়ে। আকাশ ও ড্রোনযুদ্ধের এই সংঘাতে উভয় দেশের সামরিক সীমাবদ্ধতা ও অর্থনৈতিক দুর্বলতা প্রকাশ পায়, যদিও মার্কিন হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, কাশ্মীর সমস্যা ও পানি ইস্যু সমাধান না হলে ভবিষ্যতে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা রয়ে যাবে। স্থায়ী শান্তির জন্য কাশ্মীরের পূর্বের মর্যাদা ফিরিয়ে আনা এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ পুনরায় শুরু করা জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।