বাংলাদেশে করব্যবস্থার আওতা বাড়াতে এবং নিয়মিত রিটার্ন দাখিলে উৎসাহ দিতে কঠোর হচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী আইনত যাদের রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক, তারা নির্ধারিত সময়ে তা জমা না দিলে আর্থিক জরিমানা, কর-সুবিধা হারানো এবং বিভিন্ন সেবা নিতে জটিলতায় পড়তে পারেন। শুধু টিআইএন থাকলেই সবার প্রতি বছর রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়; আয়, আইনগত বাধ্যবাধকতা ও প্রযোজ্য বিধানের ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।
যৌক্তিক কারণ ছাড়া সময়মতো রিটার্ন না দিলে ২৬৬ ধারায় সর্বশেষ নিরূপিত আয়ের ওপর ধার্যকৃত করের ১০ শতাংশ হারে, ন্যূনতম এক হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। ব্যর্থতা চলতে থাকলে প্রতিদিন ৫০ টাকা অতিরিক্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে বকেয়া করের ওপর মাসে ২ শতাংশ বিলম্বজনিত সুদও আরোপ হতে পারে এবং দেরিতে রিটার্ন দিলে বিনিয়োগভিত্তিক কর রেয়াত পাওয়ার সুযোগ সীমিত হতে পারে।
গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি, ব্যবসা, সম্পত্তি ও চাকরিসংক্রান্ত কিছু কাজে রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র প্রয়োজন হতে পারে। সাধারণ স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য সাধারণত ৩০ নভেম্বর করদিবস নির্ধারিত, তবে বিশেষ আদেশে এনবিআর সময় বাড়াতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।