Web Analytics

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাব্বির রহমান ওসমানী বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ র‍্যাবে দায়িত্ব পালনের সময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে কথিত হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউলের বিরুদ্ধে ১৩তম সাক্ষী হিসেবে তিনি জবানবন্দি দেন। সাব্বিরের অভিযোগ, ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১২ সালের মার্চ পর্যন্ত ২২ জনকে হত্যা করা হয় এবং জিয়াউল তাকে বলেছিলেন, বিষয়টি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় জানে।

তিনি বলেন, চরদুয়ানী ঘাট থেকে হাত বাঁধা ও মাথায় কালো টুপি পরানো ব্যক্তিদের ট্রলারে নেওয়া হতো। তাঁর বর্ণনায়, তাদের গুলি, পেট কাটা এবং সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলে দেওয়া হতো। ২০১০ সালের মে মাসের একটি ঘটনায় চারজনকে হত্যার অভিযোগ করেন তিনি। পরে উদ্ধার হওয়া একটি লাশের ডিএনএ পরীক্ষায় সেটি বিডিআরের সাবেক সদস্য নজরুল ইসলামের বলে জানা যায় বলে তিনি বলেন। আলকাছ মাঝি জিয়াউলের নাম ব্যবহার করে ডাকার পর নিখোঁজ হন বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।

সাব্বির সুন্দরবনে ২০১১ সালের নভেম্বর এবং ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চে তিনটি কথিত এনকাউন্টার অভিযানের কথাও বলেন। নিশানখালীতে ছয়টি এবং পরের দুটি অভিযানে পাঁচটি করে লাশ পাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল বলে তার সাক্ষ্য। আগাম গোয়েন্দা দলের উপস্থিতি, হুইসেলের সংকেত ও স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের শব্দের ভিত্তিতে তিনি অভিযানগুলো সাজানো ছিল বলে মনে করেন।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।