মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান বিষয়ে তাঁকে একটি সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ওহাইও যাওয়ার উদ্দেশে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সময় সাংবাদিকদের তিনি তেহরানকে সতর্ক করে বলেন, তাদের সামনে সহজ অথবা কঠিন—দুই পথের একটি বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে। তবে তিনি কী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে কোনো বিস্তারিত জানাননি। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা থেকে প্রায় পুরোপুরি সরে এসেছে এবং দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।
ইরান ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ওয়াশিংটনে আলোচনা চলার মধ্যেই ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে। তেহরানের সঙ্গে সংঘাত নিরসনের প্রচেষ্টা থমকে থাকায় পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ইরান ও ইয়েমেন পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করেছেন। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা এই যুদ্ধের ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম ঘোষিত লক্ষ্য।
ট্রাম্প বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের ইরান হামলার পর বাড়া তেলের দাম এখন কমছে। ইরান বরাবরই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেন, ধর্মীয় নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি এমন অস্ত্র তৈরি করছে না। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ঘনত্ব কমানোর প্রস্তাবও দেন তিনি। তবে মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ বেসামরিক পারমাণবিক কর্মসূচিতে আপস না করার কথা জানিয়েছে তেহরান।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।