Web Analytics

প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর ইরানের শেয়ারবাজার এই সপ্তাহে সীমিত আকারে পুনরায় চালু হয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার তেহরান স্টক এক্সচেঞ্জে নিয়ন্ত্রিত দুই দিনের লেনদেনের মাধ্যমে কিছু তারল্য সৃষ্টি হলেও প্রায় ৩৬ শতাংশ কোম্পানি, বিশেষ করে বড় পেট্রোকেমিক্যাল ও ইস্পাত প্রতিষ্ঠানগুলো, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাব থেকে শেয়ারহোল্ডারদের রক্ষার জন্য অফলাইনে ছিল। প্রতিদিন লেনদেনের সময় এক ঘণ্টা বাড়ানো হয় এবং বাজারে অস্থিরতা রোধে শেয়ারের দাম ওঠানামা তিন শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়।

কর্তৃপক্ষ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করলেও অর্থনৈতিক সংকট গভীর রয়ে গেছে। অর্থনীতিবিদ মেহদি হাঘবালি জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে কোম্পানিগুলো ক্ষতির পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করতে পারছে না, আর ছোট ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান ও ঋণনির্ভর ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়েছে। এপ্রিলের শেষ দিকে মুদ্রাস্ফীতি ৭০ শতাংশ ছাড়িয়ে যায় এবং রিয়ালের অবমূল্যায়নে রপ্তানিমুখী কোম্পানিগুলো তুলনামূলক আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। তবে বাণিজ্য বিঘ্ন ও মূল্যবৃদ্ধি প্রকৃত মূল্য সৃষ্টিতে বাধা দিচ্ছে।

নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে সরকারের আর্থিক বিকল্প সীমিত। হাঘবালি বলেন, আমদানি সীমিতকরণ বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি ইরানের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করতে পারে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।