বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেলের মজুত রয়েছে যা নতুন সরবরাহ ছাড়াই আগামী ২০ থেকে ২২ দিনের চাহিদা পূরণে সক্ষম। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনসহ সব ধরনের তেলের পর্যাপ্ত মজুত আছে এবং নতুন তেলবাহী জাহাজ নিয়মিতই বন্দরে আসছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, দেশে ১ লাখ ৩৬ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত ও প্রায় ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে।
গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তথ্যে জানা গেছে, কিছু অসাধু পেট্রোল পাম্প মালিক ও পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে চোরাই বাজারে তেল বিক্রি করছে। সরকার জানিয়েছে, জ্বালানি নিয়ে কোনো কারসাজি বা গুজব ছড়ানোর চেষ্টা সহ্য করা হবে না এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের গুজবে কান না দিয়ে সরকারি ঘোষণার ওপর আস্থা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।