তীব্র গ্যাস সংকটে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। গত জুলাইয়ের শেষ দিক থেকে এ পরিস্থিতি চলতে থাকায় পরিবহন ব্যবস্থা ও জনজীবন স্থবির হয়ে পড়ছে। প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতির প্রভাব এবং অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনাকে সংকটের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সিএনজি অটোরিকশাচালক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তিনি মাত্র ১০০ থেকে ১২০ টাকার গ্যাস পান। গ্যাসের লাইনে দিনের বড় অংশ নষ্ট হওয়ায় তাঁর দৈনিক আয় প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের প্রায় তিন লাখ ৫০ হাজার সিএনজি অটোরিকশাচালকের পরিবার চরম অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। তাঁর স্ত্রী বিউটি বেগম জানান, সাড়ে চার মাস ধরে তারা ঘরভাড়া দিতে পারছেন না এবং অর্থাভাবে চিকিৎসাও করাতে পারছেন না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরের আগস্টে গ্যাস সরবরাহ কোভিড-১৯ মহামারির শুরুর সময়কার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. বদরুল ইমাম বলেন, সম্ভাব্য গ্যাস মজুদ তুলতে ব্যাপক অনুসন্ধান ও খনন দরকার। তিনি নতুন উৎস সন্ধানে সরকারি উদ্যোগ ও বিনিয়োগের ঘাটতির কথা বলেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।