Web Analytics

প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ইউটিউব ও ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকেন্দ্রিক কনটেন্ট সাজায়। ব্যবহারকারী কী দেখছেন, কোথায় লাইক দিচ্ছেন বা মন্তব্য করছেন—এসব তথ্যের ভিত্তিতে প্ল্যাটফর্মগুলো আলাদা ডিজিটাল জগৎ তৈরি করে, যাতে ব্যবহারকারী দীর্ঘ সময় যুক্ত থাকেন। এই প্রক্রিয়ায় ‘ইকো চেম্বার’ তৈরি হয়, যেখানে একই ধরনের মতামত বারবার প্রদর্শিত হয় এবং ভিন্নমতের উপস্থিতি কমে যায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, অ্যালগরিদম আবেগনির্ভর কনটেন্টকে অগ্রাধিকার দেয়, কারণ এমন পোস্টে বেশি শেয়ার ও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এতে তথ্যের চেয়ে আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া বেশি গুরুত্ব পায়, যা জনমত গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে অ্যালগরিদম একতরফা নিয়ন্ত্রণকারী নয়; এটি ব্যবহারকারীর আচরণের প্রতিফলন।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ডিজিটাল সাক্ষরতা বাড়ানো এখন জরুরি। অ্যালগরিদম কীভাবে কাজ করে তা জানা, বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য নেওয়া এবং ফিড কাস্টমাইজ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিও নিশ্চিত করতে হবে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।