সৌদি আরব ও ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে, যা চার বছরের যুদ্ধবিরতিকে চরম ঝুঁকিতে ফেলেছে। সোমবার হুথিরা অভিযোগ করে, সৌদি বাহিনী সানার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমাবর্ষণ করেছে ইরানের একটি বিমান অবতরণ ঠেকাতে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট এ বিষয়ে মন্তব্য না করলেও জানায়, হামলার পর হুথিরা সৌদির দিকে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে, যা প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিহত করেছে। হুথিরা সৌদির আবহা বিমানবন্দরে পাল্টা হামলার দাবি করে এবং বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদির আকাশসীমা এড়িয়ে চলার সতর্কতা দেয়। জাতিসংঘের দূত হ্যান্স গ্রুন্ডবার্গ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযমের আহ্বান জানিয়েছেন।
৩ জুলাই সানায় ইরানের বিমান অবতরণের পর থেকেই উত্তেজনা বাড়ছিল। ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকার সোমবারের হামলার দায় স্বীকার করে জানায়, তারা আরেকটি ইরানি বিমানের অবতরণ ঠেকাতে এ হামলা চালিয়েছে। হুথিরা সরাসরি সৌদিকে দায়ী করে জানায়, এর মাধ্যমে উত্তেজনা প্রশমনের পর্বের অবসান ঘটেছে। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে, সংঘাত বাড়লে ইয়েমেনের মানবিক সংকট আরও গভীর হবে।
হোদেইদাহ প্রদেশে নতুন করে স্থলযুদ্ধ শুরু হওয়ায় যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।