Web Analytics

ভরা মৌসুমেও ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে কাঙ্ক্ষিত ইলিশ মিলছে না। ১৬ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাছের এই সংকটে তিন শতাধিক নৌকার মালিক হতাশায় রয়েছেন এবং পাঁচ হাজারের বেশি জেলে বেকার হয়ে পড়েছেন। নদীতে ধরা মাছের পরিমাণ এত কম যে অনেক ক্ষেত্রে নৌকার জ্বালানি খরচও উঠছে না, ফলে জেলেদের সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা মৎস্য অফিসের তথ্য অনুযায়ী, তজুমদ্দিনে নিবন্ধিত জেলে ১৯ হাজার ৫০০ জন। তাঁদের মধ্যে সরাসরি মাছ আহরণ পেশায় যুক্ত সাত হাজারের বেশি জেলের প্রায় পাঁচ হাজার বর্তমানে কর্মহীন। স্লুইসগেট, গুরিন্দা বাজার ও চৌমুহনী ঘাটে মাছের গদিঘরে ব্যবসায়ী ও জেলেদের অলস সময় কাটাতে দেখা গেছে। ইলিশের পাশাপাশি অন্য মাছের সরবরাহও কমে যাওয়ায় অনেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছেন।

শিক্ষক ও মাছ ব্যবসায়ী মো. মনির জানান, তিনটি নৌকা ও জালসহ প্রায় ২০ লাখ টাকা পুঁজি বিনিয়োগ করেও মাছ কম পাওয়ায় তিনি নৌকা নদীতে নামানো বন্ধ করেছেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আমির হোসেন বলেন, নদীতে ডুবোচর সৃষ্টি হওয়ায় সমুদ্র থেকে আসা ইলিশের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ডুবোচর অপসারণে ড্রেজিং উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পাওয়া গেছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।