চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গোপন শান্তি আলোচনা চলাকালে ইসরাইল ইরানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের হত্যার পরিকল্পনা করেছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই পরিকল্পনার লক্ষ্য ছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। যুক্তরাষ্ট্র আশঙ্কা করেছিল, এমন হামলা হলে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাবে। তাই মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মাধ্যমে তেহরানকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়।
যুদ্ধের সূচনা হয় ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইলি বিমান হামলায়, যেখানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের লক্ষ্য এক থাকলেও, এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি আলোচনার পর তাদের অবস্থান ভিন্ন হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি চাইলেও ইসরাইল যুদ্ধ চালিয়ে যেতে চেয়েছিল।
সব ঝুঁকি সত্ত্বেও আরাগচি ও গালিবাফ আলোচনায় অংশ নেন এবং জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছায়। এতে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা ও পারমাণবিক আলোচনার পথ তৈরির বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইসরাইল এই চুক্তিকে নিজেদের যুদ্ধলক্ষ্যের পরাজয় হিসেবে দেখে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।