বরিশাল নগরী, উপকণ্ঠ ও জেলাজুড়ে কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা বাড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ১০ থেকে ১৫ জনের মোটরসাইকেল বহর নিয়ে চলাচল, দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন ও প্রকাশ্যে হুমকির অভিযোগ রয়েছে এসব গ্রুপের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, মহানগর ও বিভিন্ন উপজেলায় প্রায় ৫০টি কিশোর গ্যাং সক্রিয় এবং সদস্যসংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।
নগরীর পলাশপুর এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় মাছ ব্যবসায়ী বাবু শিকদার নিহত হওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে টোকাই মধু, শহীদ ওরফে কালা শহীদ ও মন্টু সিয়ামকে গ্রেপ্তার করেছে কাউনিয়া থানা পুলিশ। ‘ডেঞ্জার বয়েজ’ চক্রের নেতা হিসেবে পরিচিত রিদওয়ান এখনো পলাতক বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। শনিবার বটতলা থেকে স্টেলিন গ্রুপের প্রধান স্টেলিনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু গ্রুপ মাদক, ছিনতাই, চুরি, নারী উত্ত্যক্ত, চাঁদাবাজি, মারামারি, জুয়া-সংক্রান্ত বিরোধ ও অস্ত্র প্রদর্শনে জড়াচ্ছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে আধিপত্য দেখাচ্ছে। পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ বলেন, কিশোর গ্যাং সদস্যদের তালিকা ধরে গ্রেপ্তার অভিযান চলছে। নতুন গ্রুপ গঠনের চেষ্টাকারীদেরও তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে এবং রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।