Web Analytics

কুমিল্লার মুরাদনগরে দুই প্রতিবেশী শিশুকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ইয়াসমিন চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন। আদালত ও কারা সূত্রে জানা গেছে, তার খোঁজ নিতে কেউ আসে না। পরিবার-পরিজন ও স্বজনদের কাছ থেকেও তিনি সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। দিন কাটছে নামাজ ও ইবাদতে। আদালত তাকে দুই শিশুহত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছে, কারণ শিশুরা তার পরকীয়া সম্পর্কের সাক্ষী ছিল।

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রবাসী বাবুল হোসেনের স্ত্রী ইয়াসমিন ২০১৪ সালের ২১ এপ্রিল দেবরের ছেলে আরাফাত ও আরেক শিশু জসিমকে হত্যা করেন। পরে লাশ নদীতে ফেলে দেন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন তার চাচি শাশুড়ি মাজেদা বেগম। এলাকাবাসী ইয়াসমিনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়, আর মাজেদাকে ২০২২ সালে র‌্যাব আটক করে। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে কুমিল্লার আদালত ইয়াসমিনকে মৃত্যুদণ্ড ও মাজেদাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

কারা সূত্র জানায়, ইয়াসমিন এখন শান্তভাবে সময় কাটান, নিয়মিত নামাজ পড়েন এবং কারও সঙ্গে বিরূপ আচরণ করেন না।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।