কুড়িগ্রাম সদরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আন্ত-উপজেলা বদলিতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক নেতারা দাবি করেছেন, নীতিমালা উপেক্ষা করে টাকা ও রাজনৈতিক প্রভাবের মাধ্যমে বদলি করা হয়েছে। ১১টি বিদ্যালয়ের শূন্য পদের বিপরীতে ৪৩ জন শিক্ষক আবেদন করেন এবং আবেদনের শেষ সময় ছিল ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টা। বুধবার বিকালে উপজেলা কমিটি বদলির আদেশ জারি করে।
নথি ও আদেশ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ১২ জন শিক্ষক বদলির আদেশ পেয়েছেন; তাঁদের মধ্যে আটজনের ক্ষেত্রে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের মধ্যে আছে শূন্য পদ না থাকা বিদ্যালয়ে বদলি, জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন, আবেদন না করা শিক্ষককে সুযোগ দেওয়া এবং সময়সীমার পর তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা। পাঁচজন বা কম শিক্ষক থাকা বিদ্যালয় থেকে বদলি না করার নির্দেশনাও লঙ্ঘিত হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু বকর সিদ্দিক অনিয়মের অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, চাপের মুখে তাঁকে একটি তালিকায় স্বাক্ষর করতে বলা হয়েছিল। তবে কারা চাপ দিয়েছেন, তা বলতে রাজি হননি। বিএনপি নেতা মাহবুবুর রহমান চাপ দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ইউএনও মাহমুদুল হাসান বলেন, কিছু সুপারিশ ছিল এবং বড় অনিয়ম প্রমাণিত হলে বদলির আদেশ বাতিল করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।