তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) তৃতীয় সভায় বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। ৫০ হাজার ৪৪৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকার এ প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৬টি জেলা ও ১২৩টি উপজেলার জীববৈচিত্র্য ও পানিসম্পদ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হবে।
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, ভারতের ফারাক্কা ব্যারাজের মাধ্যমে একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশের কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। নদীর প্রবাহ হ্রাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও সুপেয় পানির সংকটের কারণে সুন্দরবনসহ বহু অঞ্চলের ইকোসিস্টেম বিপর্যস্ত হয়েছে। পরিবেশবিদরা এ প্রকল্পকে দেশের জন্য আশীর্বাদ হিসেবে দেখছেন, যা মৃতপ্রায় নদীগুলোর প্রাণ ফিরিয়ে আনবে।
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, পদ্মা ব্যারাজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এটি বাস্তবায়নে ভারতের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রকল্পে মূল ব্যারাজ, জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও নদী খননসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।