Web Analytics

উৎসের প্রবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ক্ষমতা-কাঠামো এখনো ঔপনিবেশিক নন্দনতত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত; ফলে স্বতন্ত্র বাংলাদেশি শিল্প ও সংস্কৃতির অবস্থান নির্ধারণ কঠিন হয়ে পড়ে। এতে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগের ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক বিতর্কের উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯৪৭ সালে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রশ্ন এবং ১৯৪২ সালে আবুল মনসুর আহমদ ও বুদ্ধদেব বসুর বিতর্ক রয়েছে। লেখকের মতে, সাংস্কৃতিক লড়াই শুধু উর্দুর বিরুদ্ধে ছিল না, ঔপনিবেশিক ‘বাংলা সাহিত্য’ ধারণার বিরুদ্ধেও ছিল।

প্রবন্ধটির ভাষ্য অনুযায়ী, গণমাধ্যম, সাহিত্যপ্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় সংস্থায় বাংলাদেশি সংস্কৃতিকে প্রায়ই বাঙালি সংস্কৃতির উপসেট হিসেবে দেখা হয়। এতে বলা হয়েছে, সাংস্কৃতিক আইকন নির্বাচনের প্রক্রিয়া সময়-নির্ভর, শ্রেণি-নির্ভর এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রাক-ঔপনিবেশিক ব্যক্তিত্বদের তুলনায় ঔপনিবেশিক যুগের ব্যক্তিত্বরা বেশি গুরুত্ব পান এবং নগর মধ্যবিত্তের গ্রহণযোগ্যতা সাংস্কৃতিক স্বীকৃতিকে প্রভাবিত করে।

লেখক ভাষার শুদ্ধতার মানদণ্ড ও ঔপনিবেশিক বাংলা সাহিত্যকে কেন্দ্র করার অভ্যাস নিয়ে প্রশ্ন তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। একদল আইকনের বদলে আরেকদল আইকন দাঁড় করানোর পরিবর্তে বাংলাদেশের মানুষ, সমাজ ও প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া বিস্তারের কথা বলা হয়েছে। প্রবন্ধে নতুন রাজনীতির জন্য নতুন নন্দনতত্ত্ব ও সাংস্কৃতিক উপলব্ধিকে জরুরি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

Card image

Related Photo Cards

logo
এনিউজটির বিষয়ে যদি আরো ফটোকার্ড পাওয়া যায়, আমরা তা যুক্ত করে দেব।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।