যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েভেট কুপার তিন দিনের সফরে বেইজিংয়ে অবস্থান করছেন, যা প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টার অংশ। স্টারমার জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে ১৫ বিলিয়ন ডলারের অ্যাস্ট্রাজেনেকা বিনিয়োগ এবং ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত ভ্রমণের মতো অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপিত হয়। কুপার বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হান ঝেং-এর সঙ্গে বৈঠকে ইরান ও ইউক্রেনের সংঘাত এবং কঙ্গোর ইবোলা সংকটসহ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ কাজের আহ্বান জানান।
এই সফরটি বৈশ্বিক অস্থিরতা ও সরবরাহ শৃঙ্খল সংকটের মধ্যে পশ্চিমা দেশগুলোর চীনের সঙ্গে পুনরায় সম্পৃক্ত হওয়ার প্রবণতার অংশ। বিশ্লেষকরা বলেন, উন্নত পণ্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদের জন্য যুক্তরাজ্যের চীনের ওপর নির্ভরতা বাড়ছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে পরিবর্তিত মার্কিন-চীন সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে বাস্তববাদী কূটনীতি জরুরি। কুপার নিরাপত্তা, মানবাধিকার ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে মতপার্থক্য সত্ত্বেও খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ানোর ওপর জোর দেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, উভয় দেশই বাস্তববাদী সম্পর্ক উষ্ণ করতে আগ্রহী—যুক্তরাজ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এবং চীন ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।